June 23, 2026, 1:38 am
Headline :
বিশ্বনাথের খাজাঞ্চীতে আনুষ্ঠানিক ভাবে জামায়াতের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিউক) প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় ‘কয়েস লোদীকে’ শ’হী’দ ডাঃ মইন উদ্দিন জগিং ক্লাবের অভিনন্দন বিশ্বনাথ উপজেলার তিন সাংবাদিক সংঘঠনের যৌথ সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথে সাংবাদিকদের সাথে নবাগত ইউএনও জাহিদ বিন কাসেম,র মতবিনিময়। বাছাইকৃত কর্মীদের নিয়ে বিশ্বনাথ উপজেলা ও পৌর জামায়াতের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিতঃ বিশ্বনাথে জামায়াতের মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন মাওলানা হাবিবুর রহমান হবিগঞ্জ পিটিআই সুপার এর দায়িত্বে সিলেট সদর উপজেলার ‘খসরুজ্জামান’ বিশ্বনাথের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মির্জা রুস্তম বেগের মৃ’ত্যু’তে বিশ্বনাথ প্রেসক্লাবের শো’ক প্রকাশ। রাতের অ’ন্ধ’কারে নিয়োগ দেয়া চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম কে অবশ্য-ই অ’প’সারণ করতে হবে। বিশ্বনাথে ইসলামি ব্যাংকের গ্রাহক অবস্থান কর্মসূচী অনুষ্ঠিত বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশন অল্পদিনে মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছে অফিস উদ্বোধনকালে বক্তরা
Notice :

প্রেম ছেড়ে দেওয়া যায়——সংসার নয়……

::সাংবাদিক পলাশ তালুকদার……….

প্রেম ছেড়ে দেওয়া যায়
❤️——সংসার নয়।

বিশেষ করে যখন ভুল মানুষের সঙ্গে জীবন জড়িয়ে যায়।

ভুল মানুষকে ভালোবেসে ফিরে আসা যায়, কিন্তু যদি তার সঙ্গে সংসার বাঁধা পড়ে—তাহলে সেই বাঁধন ভাঙা এতটা সহজ হয় না। সমাজ, সন্তানের ভবিষ্যৎ, মা-বাবার সম্মান—এইসব ‘দায়’ এতটাই ভারী হয়ে ওঠে যে অনেকেই ভাঙা বিশ্বাস, নিঃস্ব মন নিয়েই সারাজীবন কাটিয়ে দেন। অথচ সেই ভুল মানুষটা বুঝতেই চায় না, সে কতটা বিরক্তিকর হয়ে উঠেছে।

শুধু খাবার আর শরীরের ছায়ায় মানুষ প্রিয় হয়ে ওঠে না।

একসাথে থেকেও যখন মনের টান থাকে না, তখন প্রতিটা মুহূর্তেই বোঝা বাড়ে। প্রিয় হওয়ার জন্য প্রয়োজন বোঝার অনুভূতি লাগে—না হলে সে শুধু ‘সহবাসে’ থাকা এক অপরিচিত মুখ। যার পাশে হাসলেও মন খালি থাকে, যে স্বার্থের বাইরে কিছুই দেখে না—তার সঙ্গে বেঁচে থাকাটা নিছক সহ্য করার নামান্তর।

একটা সম্পর্ক তখনই বিষ হয়ে ওঠে, যখন সেখানে সম্মান হারিয়ে যায়।

দুঃখে কেউ পাশে থাকে না, খারাপ সময়ে কেউ হাত ধরার মানুষ হয়ে ওঠে না—তখন সংসারের ভিতরেও মানুষ একা হয়ে যায়। কথাগুলো আর কাউকে বলা যায় না, চোখের জল আর কেউ মুছে দেয় না, তখন মানুষ নিজের মধ্যেই একটা দেয়াল তুলে ফেলে। ভালোবাসার নামে এই নিঃসঙ্গতাই সবচেয়ে নির্মম।

যে সম্পর্ক বাঁচায় না, বরং ধীরে ধীরে মেরে ফেলে—সেই সম্পর্ক ছেড়ে আসাই বুদ্ধিমানের কাজ।

সমাজ যাই বলুক না কেন, নিজেকে হারিয়ে ফেললে, নিজের আত্মবিশ্বাস মরে গেলে, জীবনের কোনো মানে থাকে না। তখন মানুষ দাঁড়ায় দুটো পথের সামনে—একটা হলো সমস্ত স্বপ্ন শেষ করে দেওয়া, আরেকটা—নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলা।

যারা নিজেকে ভেঙে আবার গড়তে পারে, তারাই আসল সাহসী।

ভুল মানুষের ভালোবাসা কেবল প্রলোভন—যেটা শেষে ক্ষত আর দুঃখ ছাড়া কিছু দেয় না। তাই প্রিয়জন আর প্রয়োজনের তফাতটা বুঝতে শিখতে হবে। কে পাশে থাকবে, কে মাঝপথে ছেড়ে দেবে—এই যাচাইটা সময় থাকতেই করতে হয়।

কারণ সুখের দিনে সবাই থাকে, কিন্তু দুঃখের দিনে যে হাত ছাড়ে না, সেও তো একরকম দেবতা।

জীবন বারবার ভাঙে, আবার গড়েও। চোখের জল দিয়ে মাটিতে বীজ ফেললে তবেই নতুন সুখের বৃক্ষ গজায়।
আশার ছায়ায় বাঁচা যায়, যদি মনের ছায়াটাও পাশে থাকে।

শেষ কথা একটাই—সুখ শুধু শরীরের নয়, মনের সংযোগেই জীবন জ্বলে ওঠে।
আর সেই জ্বলন্ত জীবনের মাঝেই এক টুকরো শান্তি খুঁজে নিতে হয়—নিজের জন্য।

::সাংবাদিক,পলাশ তালুকদার——–


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page

Categories