নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
আমরা যতো কিছুই করিনা কেনো জন্মভূমি ‘বিশ্বনাথ’ কে আমরা সবার আগে তুলে ধরবো, বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশন ইউ,কের ২য় বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ।
১৫ ই সেপ্টেম্বর সোমবার লন্ডনের ব্যাথনাল স্টান বেতনাল গ্রীন, দেশি লাউঞ্জে বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশন ইউ,কের আড়ম্বরপূর্ণ ২য় বর্ষপূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়।
সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম রুহেল ও সহকারী ট্রেজারার শামিম নুরের যৌথ পরিচালনায়,
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, সাবেক ডেপুটি মেয়র টাওয়ার হেমলেট।
প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন, গুলজার খান সাধারণ সম্পাদক বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাষ্ট ইউ কে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মিসবাহ উদ্দিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বিশ্বনাথ প্রবাসী এডুকেশন ট্রাষ্ট ইউ,কে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে আগত বিশিষ্ট সমাজসেবক তৈমুছ আলি,
সমাজসেবক আফাজ আলী, আবুল খায়ের, রাজু খান, সিরাজ উদ্দিন, বসির উদ্দিন, নাজমুল ইসলাম, খালেদ খান, মুমিন মিয়া, ইয়াকুব মিয়া, খালিছ মিয়া, মুজিব আহমদ।
বক্তারা বলেন বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশন ইউ,কে খুব অল্প দিনেই বিশ্বনাথের যুবসমাজের জন্য তারা প্রচুর কাজ করেছে, আমাদের জন্মস্থান বিশ্বনাথের বর্তমান প্রজন্মের জন্য এই সংগঠন যুগান্তকারী সব কর্মসূচী হাতে নিয়েছে, আমরা প্রবাসীরা বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশন ইউ,কের এ সকল কর্মকাণ্ডে অভিভূত, আমারা তাদের পাশে আছি মাদক ও নেশামুক্ত সুশৃঙ্খল যুবসমাজ গঠনে তাদের কার্যক্রম যেনো আরো বেগবান হয় এই প্রত্যাশা করি।
আরো উপস্থিত ছিলেন রাজু মিয়া ভাইস প্রেসিডেন্ট বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশন, সহ-সভাপতি আসরাফ খান, সহ-সভাপতি শাহ কামাল উদ্দিন, সিনিয়র সদস্য গিয়াস উদ্দিন সেবুল, সদস্য বাবুল উদ্দিন, ফুটবল কো-অর্ডিনেটর কামাল উদ্দিন, ক্রিকেট কো-অর্ডিনেটর পারভেজ হাসান, সিনিয়র সদস্য কামরুজ্জামান, সদস্য সালিক মিয়া, আসরাফ উদ্দিন বিপ্লব, গণমাধ্যমকর্মী শেখ নুমান, আব্দুল মুমিন শাহ ও নিজাম উদ্দিন।
সভায় বিশ্বনাথ স্পোর্টস অর্গানাইজেশনের লক্ষ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে প্রাথমিক ভুমিকা উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট ক্রীড়া সংঘঠক ট্রেজারার আবু মনসুর।
তিনি বলেন সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ, নেশা ও মাদক মুক্ত একটি সূ,নির্মল জনপদ গড়ে তুলাই আমাদের প্রয়াস।
ক্রীড়া’ সাম্য” ও সম্প্রীতি—-আমাদের মূলনীতি।
সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি সুস্থ সমাজ গঠনে ক্রীড়া সংগঠনের ভূমিকা অপরিহার্য যা *শারীরিক ও *মানসিক *সুস্থতা:
তরুণ ও যুবকদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করে তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করে।
*শৃংখলা ও সৌহার্দ্য:
খেলাধুলার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ, দলবদ্ধভাবে কাজ করার মানসিকতা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশে সহায়তা করে এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে।
*সুস্থ বিনোদন:
সুস্থ ও ইতিবাচক বিনোদনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে।
*সামাজিক সংহতি:
বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা আয়োজনের মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে একতা ও সংহতি বাড়ানো।
*সামাজিক উন্নয়ন:
শিক্ষা, সংস্কৃতি, এবং অন্যান্য সামাজিক খাতে উন্নয়নমূলক কাজ করে যাওয়া।
*সমাজ সংস্কার:
যৌতুক, মাদক ও নারী নির্যাতনসহ সমাজের অসংগতি ও অন্যায়গুলো দূর করার জন্য কাজ করা।
*সচেতনতা সৃষ্টি:
পরিবেশ, স্বাস্থ্য এবং অন্যান্য জরুরি সামাজিক বিষয়গুলো নিয়ে জনসচেতনতা তৈরি করা।
*সেচ্ছাসেবা ও মানবিক কাজ:
দুর্যোগ বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজ করে মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
আমরা মনে করি *সাম্য ও সম্প্রীতি:
সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি সুস্থ সমাজ গঠন করা সম্ভব।
*ক্রীড়া সংগঠনের ভূমিকা
শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা:
তরুণ ও যুবকদের খেলাধুলায় উৎসাহিত করে তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করে।
*শৃংখলা ও সৌহার্দ্য:
খেলাধুলার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে শৃঙ্খলাবোধ, দলবদ্ধভাবে কাজ করার মানসিকতা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে।
*প্রতিভা বিকাশ:
খেলোয়াড়দের প্রতিভা বিকাশে সহায়তা করে এবং তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে।
সবশেষে–আমরা বলতে চাই,
সুস্থ ও ইতিবাচক বিনোদনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করে একটি সুশৃঙ্খল যুব সমাজ গঠন করা সম্ভব, আমরা সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছি।
“আমরা সফল হতে চাই,
───────────────বিশ্বনাথবাসীকে পাশে চাই”
সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি শফিউর রহমান খান জামিল বলেন আমদের সংঘঠন বিশ্বনাথবাসীর জন্য কাজ করে যেতে চায়, আপনাদের সহযোগিতা চাই।
আপনাদের উপস্থিতি আমাদের কে অনুপ্রাণিত ও অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করেছে, সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানাই।
অনুষ্ঠান পরবর্তীতে আগত অতিথিবৃন্দ সহ সংঘঠনের সবাইক নিয়ে একসাথে আপ্যায়নে উদযাপন অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।