নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য অধ্যাপক মাহফুজা হান্নান বলেছেন, আমরা গ্রামে থাকি বলে আমরা কি অবহেলিত। তা কখনো না।আমাদের ন্যায্য অধিকারটা আমাদেরই আদায় করে নিতে হবে এবং যেখানে যে সমস্যা সেগুলো আমাদের তুলে ধরে সমাধান করতে হবে। তবেই দেশ ও জাতি এগিয়ে যাবে উন্নতির শিখরে।
তিনি (১৩ মে) বুধবার দুপুরে বিশ্বনাথ উপজেলা অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগ বিশ্বনাথ উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। গতকালের এই অনুষ্ঠান ছিল বিশ্বনাথ উপজেলা ও পৌর জামায়াতের মহিলা বিভাগের প্রথম আনুষ্ঠানিক কোন অনুষ্ঠান। একারণে বিশ্বনাথের প্রায় বিভিন্ন এলাকা থেকে শিশু বাচ্চাদের সাথে নিয়ে মহিলা জামায়াতের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ কর্মী ও সমর্থকরা বৈরী আবহাওয়া সত্ত্বেও উপস্থিত ছিলেন। এরমধ্যে কলেজের ছাত্রী, শিক্ষিকা, চিকিৎসক থেকে শুরু করে জামায়াতের সাথে সংশ্লিষ্ট অনেক গৃহবধূও উপস্থিত ছিলেন।
অধ্যাপক মাহফুজা হান্নান আরো বলেন, ইসলামী আন্দোলন আমাদেরকে কোরআন এবং হাদিস শিখিয়েছে। সেখানে শুধু আমরা সীমাবদ্ধ থাকবো না। বরং কোরআন ও হাদিসের শিক্ষাকে যেন আমরা সমাজের প্রতিটি স্তরে বাস্তবায়ন করতে পারি সে লক্ষ্যে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। আমি ছিলাম আছি এবং আগামীতেও আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে পারি সে জন্য সকলের দোয়া চাই, আপনাদের আজকের এ বিশাল উপস্থিতি ও সংবর্ধনা আমাকে অভিভূত করেছে।
বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি খাদিজা বেগম লাইলীর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সিলেট অঞ্চল মহিলা বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক শাহিমা খানম হেপী, সিলেট জেলা জামায়াতের মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি রোজিনা বেগম, সহকারী সেক্রেটারি মাহবুবা জেসমিন।
বিশেষ মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশ্বনাথ উপজেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিদ্দিকী, তিনি স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে সংবর্ধনা কে প্রানবন্ত করে তুলায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীল হাছনা বেগম, বিলকিস বেগম, রেহেনা বেগম, রেহেনা সুলতানা, ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সভাপতি ইভা বেগম, তাহমিনা বেগমসহ উপজেলা ও পৌর জামায়াতের মহিলা বিভাগের নেতৃবৃন্দ, প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্বনাথ পৌর জামায়াতের মহিলা বিভাগের দায়িত্বশীল খাদিজা আক্তার।